লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়েদ ইবরাহিম রায়িসি।

 

তিনি বলেছেন, কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

 

কাসেম সোলাইমানি স্মরণে সোমবার রাজধানী তেহরানে এক বিশাল সমাবেশে প্রেসিডেন্ট রায়িসি এই ঘোষণা দেন। এদিন ছিল সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের দ্বিতীয় বার্ষিকী।

 

২০২০ সালের এই দিনে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেনারেল সোলায়মানি এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও তাদের কয়েকজন সঙ্গীকে মার্কিন বাহিনী ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে হত্যা করে।

প্রেসিডেন্ট রায়িসি তার ভাষণে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে আরো বলেন, “জেনারেল সোলাইমানি ছিলেন ইরাক সরকারের রাষ্ট্রীয় মেহমান। আপনারা তাকে হত্যা করে ইরাকের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছেন, একই সঙ্গে পুরো ইরাকি জাতিকে হত্যা করেছেন। এই ভয়াবহ অপরাধযজ্ঞের পেছনে মূল দায়ী ব্যক্তি হচ্ছেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাকে অবশ্যই আল্লাহ নির্দেশিত আইন অনুসারে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ”

প্রেসিডেন্ট বলেন, আইন অনুসারে যদি ট্রাম্প এবং পম্পেওসহ অন্য অপরাধীদের বিচার করে শাস্তি কার্যকর করা হয় তাহলে সেটি হবে ভালো কাজ। না হলে পুরো মুসলিম উম্মাহ জেনারেল সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নেবে।

তিনি বলেন, জেনারেল সোলাইমানি ছিলেন একজন বিপ্লবী কমান্ডার যিনি কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বরং তিনি ইসলাম এবং মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করার জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন। সূত্র: পার্সটুডে